Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Monday, October 7, 2024

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি পাঠালেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি পাঠালেন।

ctn


পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রেস রিলিজের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানোর অভিযোগ তুলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি পাঠিয়েছেন গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম)।

চিঠিতে দেশের অর্থনীতিকে ‘রক্ষা’ করতে এবং ‘সাংবাদিক’সহ বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘লাখ লাখ’ পরিবারের জীবিকার স্বার্থে এসব ‘অপপ্রচার’ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধের ব্যবস্থা নিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।


বসুন্ধরার এই চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে সিআইডির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলা হয়েছে যে, সিআইডির প্রেস রিলিজ এবং এর ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ ও ‘সাজানো’ অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।


কোনো তদন্ত ছাড়াই এই অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে চিঠিতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান দাবি করেন, ‘যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া’ অনুসরণ না করায় এতে বসুন্ধরা গ্রুপের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে, পাশাপাশি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও তাদের পরিবারের জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।


সিআইডির ওয়েবসাইট থেকে এ সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যমূলক’ ও ‘মানহানিকর’ প্রচারণা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান বসুন্ধরা চেয়ারম্যান।


চিঠিতে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের ‘মিথ্যা অভিযোগ’ ও ‘অপপ্রচার’ দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যার ফলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থানহানি হওয়ার পাশাপাশি বসুন্ধরা গ্রুপে কর্মরত সাংবাদিকসহ লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সংকটে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে।


এছাড়া, এসব কারণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ঋণমান ও ব্যবসা পরিচালনার খরচে (কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস) নেতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও চিঠিতে সতর্ক করেন আকবর সোবহান।

Saturday, October 5, 2024

সরকার জানিয়েছে, নির্বাচন হচ্ছে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার: সংলাপ শেষে মির্জা ফখরুল।

সরকার জানিয়েছে, নির্বাচন হচ্ছে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার: সংলাপ শেষে মির্জা ফখরুল।



প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংলাপে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল।


সরকার জানিয়েছে, নির্বাচন হচ্ছে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার: সংলাপ শেষে মির্জা ফখরুল।


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি আবারও নির্বাচনের রোডম্যাপ চেয়েছে। আজ এক ঘণ্টার আলোচনার পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচন আয়োজন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার, যা প্রধান উপদেষ্টা তাঁদের জানিয়েছেন।


আজ শনিবার বিকেল চারটার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এর আগে, বেলা আড়াইটার দিকে সংলাপে অংশ নিতে যমুনায় যায় বিএনপির ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়েছে, যেখানে প্রধানত নির্বাচনের বিষয় এবং নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার ও কমিশনের আলোচনা করা হয়েছে।

সংলাপে আবারও নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, "আমরা একটি রোডম্যাপ দিতে বলেছি, যাতে জানা যায় কবে নির্বাচন হবে।"

বিএনপি দাবি করেছে, বিগত সরকারের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র হস্তান্তরের আইন বাতিল করতে হবে। মির্জা ফখরুল জানান, তাঁরা চেয়েছেন যাতে বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি নির্বাচন সংস্কার কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না হয়। এছাড়া, ফ্যাসিবাদের সময় গঠিত সব ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল করার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
মহাসচিব আরও বলেন, ২০১৪ সাল থেকে পরপর তিনটি বিতর্কিত ও ভুয়া নির্বাচন পরিচালনা করা নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যদের আইনের আওতায় আনার প্রস্তাবও দিয়েছেন তাঁরা।

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে আইনগতভাবে দায়মুক্ত না করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা মনে করি, বিচারপতি খায়রুল হক নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংসের মূল হোতা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দিয়ে তিনি নির্বাচনব্যবস্থার পতনে বড় ভূমিকা পালন করেন। আমরা রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে অনেকে দোসর হয়ে কাজ করেছে, লুটপাট ও মানুষের ওপর নির্যাতনে সহায়তা করেছে। এছাড়া, গুম, খুন ও গণহত্যায় সহায়তাকারীদের অনেকেই এখনও নিজেদের অবস্থানে বহাল আছে; তাই অবিলম্বে তাদের সরিয়ে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের পদে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সংলাপে অংশ নেওয়া বিএনপির অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুল মঈন খান ও সালাহ উদ্দিন আহমেদ। সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা হাসান আরিফ, আদিলুর রহমান খান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।

Tuesday, October 1, 2024

নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধান ও সরকারের বক্তব্যে 'সমন্বয়হীনতা' প্রকাশ পেল?

নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধান ও সরকারের বক্তব্যে 'সমন্বয়হীনতা' প্রকাশ পেল?

সেনাপ্রধান ও প্রধান উপদেষ্টা


বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের জন্য সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান যে এক থেকে দেড় বছর, অর্থাৎ আঠার মাসের সময়সীমার কথা উল্লেখ করেছেন, সেটিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ‘ব্যক্তিগত মত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

কিছু মানুষের কাছে বিষয়টি সেনাপ্রধান ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে ‘ঐক্যমতের অভাব’ বা ‘সমন্বয়হীনতার প্রকাশ’ বলে মনে হচ্ছে। 

বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, বিতর্ক এড়াতে নির্বাচন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসা উচিত। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, দ্রুত সংস্কার শেষ করে নির্বাচন দিলে এসব বিতর্কের অবসান হবে।

গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর সেনাপ্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার কথা জানান। পরে আটই অগাস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার শপথ গ্রহণ করে।

জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া প্রথম ভাষণে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচনের সময়সূচি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। দায়িত্ব গ্রহণের এক মাস পর তিনি ছয়টি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন সংস্কারের জন্য।

আজ পহেলা অক্টোবর থেকে কমিশনগুলোর কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে তা হয়নি। প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব জানিয়েছেন, ছয়টি কমিশন কাজ শুরুর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পুনরায় সংলাপ করবে সরকার। এরপর কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পর আবারও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বিএনপি যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দাবি করে আসছে, আর জামায়াত নির্বাচনের আগে সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।
নভেম্বরে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে ইউনূস-মোদি বৈঠক হতে পারে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নভেম্বরে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে ইউনূস-মোদি বৈঠক হতে পারে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

 



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন।

নভেম্বর মাসে থাইল্যান্ডে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।

বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সময় দুই নেতার মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার আশা রয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, “আমরা একমত যে বাংলাদেশের ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা উভয় দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে উভয় পক্ষ ভারত ভ্রমণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।

বাসসের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, “তিনি (জয়শঙ্কর) আশা প্রকাশ করেছেন যে শীঘ্রই ভিসা ব্যবস্থা পুনরায় চালু হবে।”

তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছেন।

তৌহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন, “আমি তাকে আশ্বস্ত করেছি যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অন্য কোনো বিদেশি দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেনি।”

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ায় ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কিছুটা টানাপোড়েন চলছে।


ঢাকাসহ ৯ শহরে গণসংলাপ করবে গণসংহতি আন্দোলন

ঢাকাসহ ৯ শহরে গণসংলাপ করবে গণসংহতি আন্দোলন



 ৪ অক্টোবর থেকে গণসংলাপের আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। দলটি বলেছে, গণ–অভ্যুত্থান মানুষের ভেতর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের যে চাহিদা তৈরি করেছে, একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সে জন্য জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণসংলাপের আয়োজন করছে তারা।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে ৯টি বড় শহরে ৯ দিন ধরে গণসংলাপের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দলটি তাদের গণসংলাপ শুরু করবে ৪ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জে। এরপর পর্যায়ক্রমে তাদের গণসংলাপ হবে ১৭ অক্টোবর বরিশালে, ১৮ অক্টোবর খুলনায়, ১৯ অক্টোবর রাজশাহীতে, ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে, ২৬ অক্টোবর রংপুরে, আগামী ১ নভেম্বর সিলেটে ও ২ নভেম্বর ময়মনসিংহে। শেষে ২৯ নভেম্বর ঢাকায় গণসংলাপের আয়োজন করা হবে।