Showing posts with label রাজধানী. Show all posts
Showing posts with label রাজধানী. Show all posts

Wednesday, October 9, 2024

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় অসুর রূপে আরজি করের অভিযুক্ত

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় অসুর রূপে আরজি করের অভিযুক্ত

 

ctn news

কলকাতায় নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আরজি কর মেডিকেল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম জড়িয়েছে। সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই তাকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষকে অনেকেই সমাজের অসুর হিসেবে দেখছেন। তাই এবারের দুর্গাপূজায় তার আদলেই অসুরের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। এরকম একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।



পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বহরমপুর স্বর্গধাম সেবক সংঘের দুর্গাপূজার অসুরের মুখ অবিকল আরজি করের অভিযুক্তের মতো তৈরি করা হয়েছে। মৃৎশিল্পী অসীম পাল সেই মূর্তিটি তৈরি করেছেন।

যদিও পূজা কমিটির পক্ষ থেকে এই ধরনের দাবি সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে, সাধারণ মানুষ কিন্তু অসুরের মুখে সন্দীপ ঘোষের প্রতিচ্ছবিই দেখতে পাচ্ছেন।



এক দর্শনার্থী বলেন, ‘যেমন এখানে পশুর বধ হচ্ছে, তেমনই আমরা চাই দোষীরা শাস্তি পাক। তিলোত্তমার অপরাধীরা সাজা পাবে।’


অন্যদিকে, পূজা উদ্যোক্তা বলেন, ‘এবার আমাদের ৭৮তম বর্ষ। প্রতিমা বিভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। প্রতি বছর মা দুর্গার আলাদা ধরনের অসুর তৈরি করার চেষ্টা করি। তবে সন্দীপ ঘোষকে অসুর বানানোর কোনো পরিকল্পনা আমাদের ছিল না। নারীদের সম্মানহানি নিয়ে কথা অন্য ব্যাপার, কিন্তু প্রতিমার ক্ষেত্রে এমন কোনো ভাবনা আমরা করিনি।’
পাহাড় ও পূজার নিরাপত্তা নিয়ে কোনও শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পাহাড় ও পূজার নিরাপত্তা নিয়ে কোনও শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

ctn news

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, পাহাড়ে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। পাহাড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালোভাবেই রয়েছে। যারা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও দুর্গা পূজার নিরাপত্তা নিয়েও কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।


বুধবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন, পাহাড়ে কারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। কিছু লোক সবসময় পরিস্থিতি খারাপ করার চেষ্টা করে। গণমাধ্যম এই বিষয়গুলো ভালোভাবে তুলে ধরেছে। পাহাড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করেছে।


তিনি আরও বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুষ্ঠান এটি। তারা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, সে জন্য আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি যে, আপনারা আনন্দঘন পরিবেশে আপনাদের অনুষ্ঠান করতে পারবেন। এখানে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।

Monday, October 7, 2024

অসময়ের অতিবৃষ্টি, বিপদ বাড়াচ্ছে পূর্বালী হাওয়া

অসময়ের অতিবৃষ্টি, বিপদ বাড়াচ্ছে পূর্বালী হাওয়া

ctn

চাঁদপুরে শুক্রবার পুরো দিনে ২৮২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। একই দিনে উত্তরের ব্রহ্মপুত্র থেকে পদ্মা অববাহিকার অন্তত ১১টি জেলায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীতেও বর্ষার শেষ সময়ে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, তিন দিন ধরে দেশের বিস্তৃত এলাকায় এত প্রবল বৃষ্টি হওয়াটা বিরল। এর প্রধান কারণ হিসেবে তাঁরা অস্বাভাবিক শক্তিশালী পুবালি বাতাস ও মৌসুমি বায়ুকে দায়ী করছেন।


তাঁদের মতে, গত আগস্ট থেকে পুবালি বাতাস অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী আচরণ করছে, যা মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে মিলে অতি ভারী বৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুবালি বাতাসের সঙ্গে ঘূর্ণি বাতাস মিলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিবৃষ্টি ঘটাচ্ছে। এর সঙ্গে উজান থেকে আসা ঢলের যোগে এই বছর রেকর্ড ৯ বার দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা দেখা দিয়েছে।

কিছুদিন পরপর অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা ঢলে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা শহর ডুবে গেছে। এর আগে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং লক্ষ্মীপুরও প্রবল বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল। গত এক মাসে অস্বাভাবিক বৃষ্টি ও বন্যার কারণে অন্তত ২০টি ছোট শহর ও জেলা বিপর্যস্ত হয়েছে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এ বছরের বর্ষা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। বৃষ্টির পরিমাণও ৩০ শতাংশ বেশি হয়েছে, এবং বর্ষার মেয়াদও দীর্ঘায়িত হয়েছে। সাধারণত অক্টোবরের শুরুতেই বর্ষা বিদায় নেয়, তবে এবার তা দিন দিন আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষত আগস্ট থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর এবং চলমান অক্টোবরে বর্ষা তার আগ্রাসী রূপ বজায় রেখেছে।


আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, চলমান বৃষ্টি আরও দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত রাজধানীসহ দেশের মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে।


বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রবল বর্ষা এবং ভারত থেকে আসা পানির কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি বন্যা হয়েছে। সিলেটে তিনবার, ফেনী-কুমিল্লায় তিনবার, তিস্তাপারে রংপুরে একবার, চট্টগ্রামে একবার, এবং সর্বশেষ শেরপুর ও নেত্রকোনায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এর পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকা, পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, চাঁদপুর ও ময়মনসিংহসহ ২০টি জেলা শহরে জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের চারটি জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত রয়েছে। শেরপুর, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও জামালপুরের নিম্নাঞ্চলের পর এবার চাঁদপুর ও মাদারীপুরসহ দেশের মধ্যাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলোতেও পানি জমে গেছে। অমাবস্যার প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জোয়ারে এসব অঞ্চলের চরগুলো তলিয়ে গেছে।


এ বিষয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, সাধারণত গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা অববাহিকায় প্রতিবছর একাধিকবার বন্যা হয়। তবে এবার সেই এলাকাগুলোতে বন্যা ও বৃষ্টি তুলনামূলক কম হয়েছে, আর দেশের ছোট নদ-নদীর অববাহিকায় বেশি বৃষ্টি হয়েছে। ফেনী, শেরপুর, চাঁদপুর ও সিলেটের মতো ছোট ও মাঝারি জেলাগুলোতে এ কারণে বন্যার তীব্রতা বেড়েছে।


বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ১১৬টি পয়েন্টের মধ্যে ৮৫টিতে পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর ৩১টিতে পানি কমছে। রোববার (আজ) ময়মনসিংহ বিভাগের ভোগাই, কংস, সোমেশ্বরী ও জিঞ্জিরাম নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কথা রয়েছে, তবে এরপর ধীরে ধীরে পানি কমতে শুরু করবে।

Tuesday, October 1, 2024

নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধান ও সরকারের বক্তব্যে 'সমন্বয়হীনতা' প্রকাশ পেল?

নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধান ও সরকারের বক্তব্যে 'সমন্বয়হীনতা' প্রকাশ পেল?

সেনাপ্রধান ও প্রধান উপদেষ্টা


বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের জন্য সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান যে এক থেকে দেড় বছর, অর্থাৎ আঠার মাসের সময়সীমার কথা উল্লেখ করেছেন, সেটিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ‘ব্যক্তিগত মত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

কিছু মানুষের কাছে বিষয়টি সেনাপ্রধান ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে ‘ঐক্যমতের অভাব’ বা ‘সমন্বয়হীনতার প্রকাশ’ বলে মনে হচ্ছে। 

বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, বিতর্ক এড়াতে নির্বাচন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসা উচিত। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, দ্রুত সংস্কার শেষ করে নির্বাচন দিলে এসব বিতর্কের অবসান হবে।

গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর সেনাপ্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার কথা জানান। পরে আটই অগাস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার শপথ গ্রহণ করে।

জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া প্রথম ভাষণে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচনের সময়সূচি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। দায়িত্ব গ্রহণের এক মাস পর তিনি ছয়টি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন সংস্কারের জন্য।

আজ পহেলা অক্টোবর থেকে কমিশনগুলোর কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে তা হয়নি। প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব জানিয়েছেন, ছয়টি কমিশন কাজ শুরুর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পুনরায় সংলাপ করবে সরকার। এরপর কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পর আবারও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বিএনপি যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দাবি করে আসছে, আর জামায়াত নির্বাচনের আগে সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।